পাখির মতো হালকা মানুষ। ছোট্ট। বাবার কোলে চেপে বিকেলবেলা নৈহাটি ইস্টিশনের ওভারব্রিজ। পায়ের নীচে রেলগাড়ি। ভোঁ দেয় ব্রিজ কাঁপিয়ে।
“রেলগাড়ি কী বলছে বাবা?”
“আমাদের ডাক দিচ্ছে তো। বলছে, দূরদেশে চললাম। কে যাবি আয়…'”
“আমি যাবো।”
“যাবি বইকি। আর একটু বড়ো হ…”
বাবার কোলে পাঁচ বছুরের বিস্ময়ভরা চোখ চেয়ে দেখে সামনে দিগন্ত পেরিয়ে এগিয়ে চলেছে সুদীর্ঘ রেলপথ। তারই পাশে পাশে এগিয়ে চলে পিচবাঁধানো নগরপথ। কোথায় যায় তারা? কে জানে? জানে রেলগাড়ি, জানে তার পেটে বোঝাই সৌভাগ্যবানেরা। জানে ওই পিচবাঁধানো সড়কপথে পায়ে পায়ে এগিয়ে চলা মুসাফিরের দল।
পাঁচ বছুরে বালক, তার চোখে পথ সেই যে মায়া অঞ্জন মাখিয়ে দিল, আজও তার সে মোহ ঘুচল না। কদিন স্থির হয়ে বসলেই ফের ডাক আসে। পথের ডাক শুনে ফের এগিয়ে যাই… পায়ে পায়ে… কুড়িয়ে নিই যা মেলে পথের পাশে পাশে।
এ বই সেই কুড়িয়ে আনা কিছু স্মৃতিকণা, দেশ ও মানুষের মাঝে ঘুরে বেড়াবার স্মৃতির ধুলোমুঠি, সোনামুঠি।

Rahasye Ghera Tibet 


Reviews
There are no reviews yet.